Bangladesh War: Report from Ground Zero ।।মুনতাসীর মামুন

মুনতাসীর মামুন মানস ঘোষের সঙ্গে আমার পরিচয় দু’যুগের। যদি স্মৃতি বিভ্রম না হয়ে থাকে, তাহলে বলব, প্রথম পরিচয় দিল্লিতে। সাল ১৯৯৮, পাকিস্তানি নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে একমাস ধরে আলাপ করে ঢাকা ফিরছি। করাচি থেকে দিল্লি। আমার সঙ্গে ছিলেন ঢাকার অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেসের মহিউদ্দিন আহমদ। যিনি মাত্র কয়েকদিন আগে আমাদের ছেড়ে চলে

৬ দফা নিয়ে বিদেশিদের ভাবনা।। মুনতাসীর মামুন

গত শতকের পঞ্চাশ দশকে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়িত করার প্রথম সক্রিয় প্রচেষ্টা হয়েছিল ১৯৬৬ সালে। আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ছিল সে পদক্ষেপ। এ কারণেই ৬ দফাকে বাঙালির মুক্তিসনদ বলা হয়। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে লাহোরে বিরোধীদের এক সভায় বঙ্গবন্ধু ৬ দফার প্রস্তাব করেন। ৬

মুনতাসীর মামুনের বঙ্গবন্ধু চর্চা ।। ড. মো. মাহবুবর রহমান

ড. মো. মাহবুবর রহমান ১৯৭৫-এর পটপরিবর্তনের পর অসাম্প্রদায়িক ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চিন্তা-চেতনার মূর্ত প্রতীক মুনতাসীর মামুন বিস্মৃতপ্রায় মুক্তিযুদ্ধকে জনপ্রিয় করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ চর্চা শুরু করেন। পাশাপাশি শুরু করেন বঙ্গবন্ধু চর্চা। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে মুনতাসীর মামুন প্রথমে পত্র-পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখালিখি শুরু করেন। তবে তাঁর প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে

পাঠ-প্রতিক্রিয়া: ‘তাজউদ্দীন আহমদ এক তরুণের রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা’।। আরিফ রহমান

‘তাজউদ্দীন আহমদ এক তরুণের রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা’ শিরোনামের এই গ্রন্থ নানা দিক থেকে বৈচিত্র্যময়। মাত্র ১১০ পৃষ্ঠার ছোট কাগজে পরিপাটি করে বাঁধাই হয়ে আসা বইটি হাতে নিয়ে ভেবেছিলাম এক বসাতেই শেষ করে ফেলব। সেই এক বসা শেষ হয়েছে পাক্কা ৬ দিনে। বইটি ছোট হলেও নানা তথ্য উপাত্তে ঠাঁসা।

প্রফেসর এ এল বাশামের সাক্ষাৎকার

[ভূমিকা: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ঐতিহাসিক এ এল বাশাম ১৯৭২ সালে ঢাকায় এসেছিলেন ইতিহাস সম্মেলনে যোগ দিতে। সেখানে তাঁর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন মুনতাসীর মামুন। মুনতাসীর মামুন তখন ছিলেন তরুণ সাংবাদিক। এই সাক্ষাৎকারটি ছাপা হয়েছিল সাপ্তাহিক বিচিত্রায়। এটি নেয়া হয়েছে মুনতাসীর মামুনের ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে। পাঠকদের সুবিধার্থে গণহত্যা জাদুঘর ব্লগে পুনরায় প্রকাশিত হলো।]