বিশ্বজুড়ে গণহত্যাকে রুখতে হবে

পাকিস্তানের হানাদার সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর, রাজাকার ও জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে ৯ মাসে ৩০ লাখ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা ও পাঁচ লাখ নারীকে নির্যাতন করেছিল। এই নির্যাতন গণহত্যার শামিল। বিশ্বজুড়ে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে এবং শক্তিশালী দেশগুলোর স্বার্থে গণহত্যা এখনো হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে গণহত্যা

Genocide Museum narrates barbarism of Pak forces

Genocide Museum in Khulna, the first of its kind in South Asia, has been working to preserve the marks of barbaric mass killings by Pakistan occupation forces during the country’s war of independence in 1971. The objective of the museum is also to let the young generation know about the

রক্ত দিয়ে লেখা ইতিহাস, ১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরর

‘নদীতে লাশ আর রক্তের স্রোত দেখেছি। যে স্রোতে ভেসে ছিল অগণিত লাশ। কোথাও পা রাখার জায়গা নেই। নদীর পাশ দিয়েও অনেক লাশ, নদীতেও লাশ। রক্তে চারদিক লাল হয়ে গেছে। গুলিবিদ্ধ অনেকেই তখনো বেঁচে। ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন অসহায়ভাবে। ওইদিন আমাকে ঘটনাস্থলের একটি মসজিদের বারান্দায় বাড়ির পাশের এক নারী

গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস

একাত্তরের ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর ‘আফটার শক’ সয়েছেন যাঁরা, তাঁদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বয়ান প্রামাণ্যকরণের উদ্দেশ্যে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলাম এ বছরের মধ্য এপ্রিলে। প্রথম পর্যায়ে ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন, সাংবাদিক আবেদ খান, শহিদ জায়া সালমা হকসহ বেশ কজন স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বের সাক্ষাতকার ধারণ করি। পরে এ মিছিলে অংশ নিতে আহ্বান জানাই মুক্তিযোদ্ধা-জাদুশিল্পী

1971 Genocide Museum Front Gate

Welcome to the genocide museum

The museum in Khulna has a rich collection of rare war photos, over 2,000 books Rare pictures and paintings depicting the genocide of Bangalees by the Pakistan army hang on the wall. There is also a rich collection of books and audio-visual materials on the ruthless massacre against the unarmed