গণহত্যা জাদুঘরের সপ্তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ।। মো: রিয়াদ হোসেন

মো: রিয়াদ হোসেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট ছিল গণহত্যা ও নির্যাতন। মুক্তিযুদ্ধে বর্বর গণহত্যা আর বাঙালির অকাতরে প্রাণদানের সঠিক ইতিহাস বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য খুলনায় গড়ে তোলা হয়েছে ১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর। এটা সংক্ষেপে গণহত্যা জাদুঘর নামেই পরিচিত। ২০১৪ সালের ১৭ মে অধ্যাপক

Chowdhury-Shahid-Kader_genocide-museum-bangladesh

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উজ্জীবনে গণহত্যা জাদুঘর

ড. চৌধুরী শহীদ কাদের *** মুক্তিসংগ্রামের সুবর্ণ জয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে আমরা। অথচ মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পরে এসে আমাদের লড়তে হচ্ছে অন্য আরেকটি যুদ্ধ। সেটি হলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি রোধের যুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গণহত্যা ও নির্যাতনের ইতিহাসকে তুলে আনার যুদ্ধ। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের দোসররা রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকার

গণহত্যার নতুন পঞ্জি

একটি জরিপ প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে বদলে দিল সবকিছু। ১৯৭১ সালের গণহত্যা, বধ্যভূমি, গণকবর ও নির্যাতন কেন্দ্রের অনেক আবিষ্কার হলো। জানা গেল ভয়াবহতা। গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। লিখেছেন চৌধুরী শহীদ কাদের। ছবি তুলেছেন সাহাদাত পারভেজ আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অপরাধের সবচেয়ে বড় হলো ‘গণহত্যা’ ও ‘নির্যাতন’। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াবহতা নিয়ে খোদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট

Genocide Museum

বাঙালির মুক্তি, স্বাধীনতার স্পৃহা আর মুক্তিযুদ্ধকালের সবচেয়ে মর্মন্তুদ পর্ব গণহত্যার ইতিহাসকে মেলে ধরেছে খুলনার ‘১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’। ১৯৭১ সালের গণহত্যা-নির্যাতনের নিদর্শন সংরক্ষণ, বধ্যভূমি ও গণকবর-সংক্রান্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, গণকবর ও বধ্যভূমি চিহ্নিত করা এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা। বিশেষায়িত এই জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে একাত্তরের গণহত্যা ও

আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশিষ্টজন: গণহত্যা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে

মিয়ানমারসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণহত্যা-নির্যাতনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশি-বিদেশি বিশিষ্টজন। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করারও দাবি জানিয়েছেন তারা। গতকাল শনিবার রাজধানীর বাংলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘১৯৭১ :গণহত্যা বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে