একাত্তরের দুর্গাপূজা।। চৌধুরী শহীদ কাদের

চৌধুরী শহীদ কাদের  বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দুর্গা পৌরাণিক দেবতা। দুর্গ বা দুর্গম নামক দৈত্যকে বধ করেন বলে তার নাম হয় দুর্গা। জীবের দুর্গতি নাশ করেন বলেও তাকে দুর্গা বলা হয়। হিন্দুধর্ম বিশ্বাসে, শ্বশুরবাড়ি কৈলাস থেকে কন্যারুপে দেবী দুর্গার বাপের বাড়িতে বেড়াতে মর্ত্যলোকে আসেন। ক্ষণে ক্ষণে উলুধ্বনি,

Chowdhury-Shahid-Kader_genocide-museum-bangladesh

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উজ্জীবনে গণহত্যা জাদুঘর

ড. চৌধুরী শহীদ কাদের *** মুক্তিসংগ্রামের সুবর্ণ জয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে আমরা। অথচ মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পরে এসে আমাদের লড়তে হচ্ছে অন্য আরেকটি যুদ্ধ। সেটি হলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি রোধের যুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গণহত্যা ও নির্যাতনের ইতিহাসকে তুলে আনার যুদ্ধ। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের দোসররা রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকার

গণহত্যার নতুন পঞ্জি

একটি জরিপ প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে বদলে দিল সবকিছু। ১৯৭১ সালের গণহত্যা, বধ্যভূমি, গণকবর ও নির্যাতন কেন্দ্রের অনেক আবিষ্কার হলো। জানা গেল ভয়াবহতা। গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। লিখেছেন চৌধুরী শহীদ কাদের। ছবি তুলেছেন সাহাদাত পারভেজ আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অপরাধের সবচেয়ে বড় হলো ‘গণহত্যা’ ও ‘নির্যাতন’। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াবহতা নিয়ে খোদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট

একাত্তরের দেখা মেলে

‘১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’। তাতে আছে বাঙালির মুক্তি, স্বাধীনতার স্পৃহা ও মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে মর্মান্তিক অনেক নিদর্শন। প্রতিটির সামনে দাঁড়িয়ে মানুষের চোখে ভাসে বাংলাদেশের জন্মমুহূর্তের যন্ত্রণা। লিখেছেন সুমন্ত চক্রবর্ত্তী এশিয়া মহাদেশে হরেক জাদুঘর। প্রতিটিতে কালের সাক্ষী কতশত নিদর্শন। কোনোটি প্রাণীর, কোনোটি গাছের, কোনোটি মাছের। ইতিহাস, ঐতিহ্য সংগ্রামের গল্প শোনায়, নব

গণহত্যা জাদুঘর

বাঙালির মুক্তি, স্বাধীনতার স্পৃহা আর মুক্তিযুদ্ধকালের সবচেয়ে মর্মন্তুদ পর্ব গণহত্যার ইতিহাসকে মেলে ধরেছে খুলনার ‘১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’। ১৯৭১ সালের গণহত্যা-নির্যাতনের নিদর্শন সংরক্ষণ, বধ্যভূমি ও গণকবর-সংক্রান্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, গণকবর ও বধ্যভূমি চিহ্নিত করা এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা। বিশেষায়িত এই জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে একাত্তরের গণহত্যা ও