ইফতি, ইস্তাম্বুল আর অশ্রুত একুশ।। চৌধুরী শহীদ কাদের

অশ্রুত একুশ মনে হতে পারে একটি উপন্যাস, নায়ক ইফতির জীবন যুদ্ধের গল্প। কিন্তু দুর্ভাগ্য এটি উপন্যাস নয়, আত্মজীবনী। একুশ বছরের স্বপ্নময় এক তরুণের যাপিত জীবনকে উদযাপনের বিবরণ। ভূমিকায় ইফতি লিখেছেন, ‘একুশ বছরে কেউ আত্মকাহিনী লেখে না, যদি না সে মৃত্যুর ডাক শোনে’।

২৫ মার্চ কেন গণহত্যা দিবস?।। মুনতাসীর মামুন

এক কোটি মানুষ শরণার্থী হয়ে গিয়েছিলেন বাদ্য হয়ে। সীমান্ত অতিক্রম করার সময় এবং শরণার্থী শিবিরে কত মানুষ মারা গেছেন সে হিসাব কিন্তু গণহত্যার অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। সে হিসাবও কিন্তু গণহত্যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে। এ রকম অনেক তথ্য উপাত্ত ৩০ লাখ শহীদের পক্ষে দেয়া যায় কিন্তু আমি দেব না। কারণ

একাত্তরের দুর্গাপূজা।। চৌধুরী শহীদ কাদের

চৌধুরী শহীদ কাদের  বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দুর্গা পৌরাণিক দেবতা। দুর্গ বা দুর্গম নামক দৈত্যকে বধ করেন বলে তার নাম হয় দুর্গা। জীবের দুর্গতি নাশ করেন বলেও তাকে দুর্গা বলা হয়। হিন্দুধর্ম বিশ্বাসে, শ্বশুরবাড়ি কৈলাস থেকে কন্যারুপে দেবী দুর্গার বাপের বাড়িতে বেড়াতে মর্ত্যলোকে আসেন। ক্ষণে ক্ষণে উলুধ্বনি,

Chowdhury-Shahid-Kader_genocide-museum-bangladesh

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উজ্জীবনে গণহত্যা জাদুঘর

ড. চৌধুরী শহীদ কাদের *** মুক্তিসংগ্রামের সুবর্ণ জয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে আমরা। অথচ মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পরে এসে আমাদের লড়তে হচ্ছে অন্য আরেকটি যুদ্ধ। সেটি হলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি রোধের যুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গণহত্যা ও নির্যাতনের ইতিহাসকে তুলে আনার যুদ্ধ। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের দোসররা রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকার

গণহত্যার নতুন পঞ্জি

একটি জরিপ প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে বদলে দিল সবকিছু। ১৯৭১ সালের গণহত্যা, বধ্যভূমি, গণকবর ও নির্যাতন কেন্দ্রের অনেক আবিষ্কার হলো। জানা গেল ভয়াবহতা। গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। লিখেছেন চৌধুরী শহীদ কাদের। ছবি তুলেছেন সাহাদাত পারভেজ আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অপরাধের সবচেয়ে বড় হলো ‘গণহত্যা’ ও ‘নির্যাতন’। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াবহতা নিয়ে খোদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট