বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র এই গণহত্যা জাদুঘরের বয়স এখনও তিন বছরও পার হয়নি। এরমধ্যেই এই জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে বেশকিছু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্জন। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ বিশেষ করে স্কুলের শিক্ষার্থী নিয়মিত এ জাদুঘরে আসছেন, লাইব্রেরিতে পড়ছেন, বিক্রয়কেন্দ্র থেকে মুক্তিযুদ্ধের বই কিনছেন। জাদুঘর ট্রাস্টের উদ্যোগে প্রতিবছর একক বক্তৃতা, শহিদ স্মৃতি বক্তৃতা, এবং নানা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। পালন করা হচ্ছে বিশেষ দিবসগুলি। আর্কাইভের হাতে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যা ও নির্যাতনের উপর প্রচুর আলোকচিত্র,তথ্য, গ্রন্থ, প্রকাশনা, অডিও-ভিডিও জমা হয়েছে। আমাদের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম ও অর্জনের মধ্যে রয়েছে:

         আমরা পূর্ণাঙ্গ গণহত্যা কোষ/নির্ঘন্ট তৈরিতে হাত দিয়েছি, ইতিমধ্যেই গণহত্যা নির্ঘন্টসহ মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যা ও বধ্যভূমি নিয়ে গবেষণামূলক ১১১টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

         খুলনা বিভাগে ১৮টি বধ্যভূমি ও নির্যাতনকেন্দ্রে স্মৃতিফলক স্থাপন করা হয়েছে, রাজশাহীর ৪টি পঞ্চগড়ে ১৬টি, ‍দিনাজপুরে ৫টি এবং বাগেরহাটে ১টি, সর্বমোট ৪৪ টি বধ্যভূমিতে ফলক তৈরির কাজ সম্পন্ন।

         জাতীয় জাদুঘরের সাথে যৌথ প্রদর্শনী।

         ত্রিপুরা সরকারের সাথে ’গণহত্যা-নির্যাতন ১৯৭১’ শীর্ষক যৌথ প্রদর্শনী।

         আমাদের প্রস্তাবে সম্মত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে ত্রিপুরা সরকার একটি জাতীয় উদ্যান তৈরি করেছে এবং সেখানে গণহত্যা-নির্যাতন জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে একটি ভাস্কর্য উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।

         আমাদের উদ্যোগে ’মুক্তিযুদ্ধ ও ত্রিপুরা ১৯৭১’ শিরোণামে ত্রিপুরা জাদুঘরের একটি কক্ষ সজ্জিত করা হয়েছে।

         বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে একটি স্মারক খাম প্রকাশ করেছে গতবছর।

         বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় গণহত্যা আর্কাইভ ও জাদুঘর চালু করছে গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্র (Centre for Genocide-Torture and Liberation War Studies) শীর্ষক প্রকল্প।

© Genocide Museum Bd | All Rights Reserved | Developed by M Dot Media