Everyday 10 to 5pm except Monday. Friday 3-5 pm

আজ ৩ ডিসেম্বর, ঠাকুরগাঁও হানাদার মুক্ত দিবস

 

১৯৭১ সালের আজকের এইদিনে ঠাকুরগাঁও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াই আর মুক্তিকামী জনগণের প্রতিরোধের মুখে পতন হয় পাকবাহিনীর। পতনের পর এ এলাকার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে মুক্তির উল্লাস। আনন্দ উদ্বেলিত কণ্ঠে ধ্বনিত হয় ‘জয়বাংলা’ ধ্বনি। বিজয় ছিনিয়ে আনতে ১০ হাজার নারী পুরুষকে প্রাণ দিতে হয়। পাশবিক নির্যাতনের শিকার হন ২ হাজার মা-বোন।

আজকের এদিনে পীরগঞ্জও মুক্ত হয়েছিল পাক হানাদারদের কবল থেকে। মুক্তিবাহিনীর ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের অধীন দুই শতাধিক গেরিলা ও মিত্রবাহিনীর চতুর্মুখী আক্রমণের মুখে ১৯৭১ সালের এ দিনে পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা পীরগঞ্জ ছাড়তে বাধ্য হয়।

এ দিনে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা নেতা মুন্সিপাড়ার শহীদুল্লাহ শহিদ,মকিমউদ্দিন আহম্মেদ, জগথার আব্দুল আজিজ, বীরহলীর তালেবুর রহমান ও কাচন ডুমুরিয়ার আকতারুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দুইশতাধিক গেরিলা মুক্তিসেনা বীরবিক্রমে পীরগঞ্জে প্রবেশ করেন এবং পীরগঞ্জকে পাক হানাদার মুক্ত ঘোষণা করেন। অতঃপর ডিফেন্সের মুক্তিসেনা ও মিত্রবাহিনীর (ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী) একটি ইউনিট পীরগঞ্জে প্রবেশ করে। সে দিন থেকেই ৩ ডিসেম্বর পীরগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস হিসাবে গণ্য হয়ে আসছে।

১৯৭১ সালের এই দিনে বরগুনার আকাশে উড়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় পতাকা। নবম সেক্টরের বুকাবুনিয়া সাব সেক্টরের দায়িত্ব ছিলেন মেজর মেহেদি আল ইমাম। তাঁর নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুস সত্তার খান প্রায় ৬০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে ২ ডিসেম্বর বরগুনাকে পাক হানাদার মুক্ত করেন। পাকহানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে বরগুনার ১৩৮ জন নিরাপরাধ মানুষ নিহত হন।

  • অক্টোবর 28, 2020
  • 1:26 পূর্বাহ্ন
শনি